
দু’মাস আগেই বিশ্বকাপের ফাইনালে হারতে হয়েছে। দেশের হয়ে পর পর দু’বার বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন ভেঙেছে। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠে নিজের ক্লাব ইন্টার মায়ামিকে আরও এক ট্রফি জেতালেন লিয়োনেল মেসি। মেক্সিকোর ক্লাব ক্রুজ় আজ়ুলকে হারিয়ে কাম্পিয়োনেস কাপ জিতল মায়ামি। প্রথম বার এই ট্রফি জিতল তারা। গোল করলেন মেসি। করালেনও।
মায়ামির হয়ে এটি মেসির চতুর্থ মরসুম। এর মধ্যেই ক্লাবকে পাঁচটি ট্রফি দিয়েছেন তিনি। কাম্পিয়োনেস কাপের আগে ২০২৩ সালে লিগস কাপ, ২০২৪ সালে এমএলএস সাপোর্টার্স শিল্ড, ২০২৫ সালে ইস্টার্ন কনফারেন্স টাইটেল ও এমএলএস কাপ জিতেছেন মেসি।
আমেরিকার মেজর লিগ সকার চ্যাম্পিয়ন ও মেক্সিকোর লিগ চ্যাম্পিয়ন দলের মধ্যে হয় এই কাম্পিয়োনেস কাপের ফাইনাল। ২৪ মিনিটের মাথায় হেডে গোল করে মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লুই সুয়ারেসের পাস থেকে আরও একটি বল জালে জড়ান মেসি। কিন্তু অফসাইডে তা বাতিল হয়।
৬৭ মিনিটের মাথায় আজ়ুলের গ্যাব্রিয়েল ফের্নান্দেজ়ের হেড পোস্টে লেগে ফেরে। ৮১ মিনিটের মাথায় মেসির কর্নার থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান ব্রাজ়িলের ক্যাসেমিরো। আর ফিরতে পারেনি আজ়ুল। এর আগে ২০২১ সালের ফাইনালেও হেরেছিল তারা। কিন্তু গত তিন বার এই ট্রফি জিতেছিল মেক্সিকোর কোনও ক্লাব। এবার মায়ামির হাত ধরে ট্রফি ফিরল আমেরিকায়।
ইন্টার মায়ামির দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রথম ম্যাচ ছিল ক্রিস্টিয়ান গঞ্জালেজ়ের। গত মাসে দায়িত্ব নিলেও ভিসা সমস্যায় যোগ দিতে পারেননি আর্জেন্টিনীয় কোচ। এই সপ্তাহেই দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তিনি। প্রথম ম্যাচেই ট্রফি জিতলেন তিনি।
এই ম্যাচে গোল করে মায়ামির জার্সিতে গোলের ‘সেঞ্চুরি’ করে ফেললেন মেসি। মেজর লিগ সকারের কোনও ক্লাবের হয়ে দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড গড়লেন মেসি। মায়ামির হয়ে ১১৪টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। করেছেন ১০০ গোল। পাশাপাশি ৫৫টি গোল করিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ, আমেরিকার ক্লাবের হয়ে ১১৪ ম্যাচে ১৫৫ গোলে মেসির অবদান রয়েছে।

